Facebook Youtube Twitter LinkedIn
Job Life

আপনি কি একজন টক্সিক কর্মী? মিলিয়ে নিন

image

আমরা সবাই ভাবতে পছন্দ করি যে আমরাই সেই ব্যক্তি যার সঙ্গে কাজ করা সহজ- যে কাজটা ঠিকঠাক করে, সময়মতো আসে এবং পরিবেশটা হালকা রাখে। কিন্তু কখনও কখনও অজান্তেই আমাদের অভ্যাস এবং মনোভাব নীরবে অন্যদের জন্য কাজকে আরও কঠিন করে তোলে। পরচর্চা, পরোক্ষ আগ্রাসন, অন্যের কৃতিত্ব কেড়ে নেওয়া এবং ক্রমাগত নেতিবাচকতা আপনাকে সহকর্মী হিসেবে টক্সিক করে তুলতে পারে। আপনিও কি তেমনই একজন? চলুন মিলিয়ে নেওয়া যাক-

পরচর্চাকারী বা গুজব রটনাকারী
আপনি যদি প্রায়ই “আমি অমুক সম্পর্কে এটা শুনেছি” বা “কেউ এটা বলছে না, কিন্তু…”-এর মতো কথা অন্যদের বলে থাকেন, তাহলে আপনি হয়তো অফিসের পরচর্চাকারী। পরচর্চা উত্তেজনা সৃষ্টি করে, ভুল তথ্য ছড়ায় এবং মানুষকে সহযোগিতার পরিবর্তে আত্মরক্ষামূলক করে তোলে। এটি বিশ্বাসকেও ভঙ্গুর করে তোলে। যদি আপনার কথাবার্তা অন্যের ব্যক্তিগত জীবন, ভুল বা নাটকীয়তার দিকে ঝুঁকে পড়ে, তবে একটু থেমে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন: “এই কথাগুলো যদি আমাকে নিয়ে বলা হতো, তাহলে কি আমি ঠিক থাকতাম?” নিরপেক্ষ, ইতিবাচক বা কাজ-কেন্দ্রিক বিষয়ে কথা বললে বিশ্বাস পুনর্নির্মাণে সাহায্য হয় এবং আপনাকে এমন একজন করে তোলে যার আশেপাশে অন্যরা নিরাপদ বোধ করে।
আপনি অন্যের কৃতিত্ব নিয়ে নেন
আপনি যদি এমন ব্যক্তি হন যিনি দলের প্রতিটি বিজয়কে একক কৃতিত্ব হিসেবে দেখেন, তবে আপনি আপনার খ্যাতি নিয়ে একটি বড় ঝুঁকি নিচ্ছেন। যারা কঠিন কাজটি করেছে তাদের কৃতিত্ব মুছে ফেললে সহকর্মীদের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক নষ্ট হবে। বিশ্বাস যেকোনো অফিসের প্রধান পুঁজি; একবার কৃতিত্ব নিজের কাছে জমা করে তা খরচ করে ফেললে, তা আবার অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। ‌‌‘আমার’ এর পরিবর্তে ‘আমাদের’ ব্যবহার করুন এবং দেখুন কত দ্রুত লোকেরা আপনার পাশে এসে দাঁড়ায়।
আপনি অনবরত অভিযোগ করেন
আমাদের সবারই এমন অনেক সময় আসে যখন কাজের চাপকে একটা জঞ্জালের মতো মনে হয়, কিন্তু যদি আপনার স্বভাবই হয় একটা হতাশাজনক দীর্ঘশ্বাস ফেলা, তাহলে আপনি হয়তো দলের আনন্দ-বিনাশকারী। ক্রমাগত নেতিবাচকতা শুধু ব্যক্তিগত মেজাজ নয়; এটি সংক্রামক। এটি মিটিং থেকে সৃজনশীল শক্তি শুষে নেয় এবং আপনার সতীর্থদের উন্নতি করার ব্যাপারে হতাশ করে তোলে। একজন সমালোচনামূলক চিন্তাবিদ হওয়া এবং শুধু একজন অভিযোগকারী হওয়ার মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে।
আপনি ভুলের জন্য অন্যদের দোষারোপ করেন
কেউই এমন কারো সঙ্গে কাজ করতে পছন্দ করে না যে নিজের সব ভুল এড়িয়ে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেয়। নিজের ভুলের দায় এড়িয়ে গেলে তা আপনাকে অন্যের কাছে নির্ভরযোগ্য করে তুলবে না। বাস্তবে নিজের ভুল স্বীকার করা এবং সমাধান দেওয়া একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ। সততাই প্রকৃত সম্মান অর্জনের দ্রুততম পথ।
আপনি সূক্ষ্ম উপায়ে অন্যদের ক্ষতি করেন
টক্সিক স্বভাব বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম আচরণের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। যেমন- কখনো কথার মাঝে বাধা দেওয়া, অন্যের বাক্য শেষ করে দেওয়া, ইমেইলে কাউকে জানাতে “ভুলে যাওয়া” বা মিটিংয়ে সূক্ষ্মভাবে তাদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা। এই ছোট ছোট কাজগুলো অন্যদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে। যদি কোনো সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আপনি প্রায়ই সবার শেষে জানতে পারেন, তবে এটি একটি লক্ষণ হতে পারে যে আপনার আচরণ অন্যদের দূরে ঠেলে দিচ্ছে।
Collected From dhakapost



Related Posts

image

এক অ্যাপেই অনেক দক্ষ এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট

31/08/2025

Job Life

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন শুধু বিজ্ঞানের কল্পনা জগৎ নয়, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। কেউ এআই দিয়ে গবেষণার কাজ করছে, কেউ কোড লিখছে, কেউ ব্যবসার পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। কিন্তু জানেন কি? চ্যাটজিপিটির ভেতরে

image

সহকর্মী ঈর্ষা করে? জেনে নিন কী করবেন

24/09/2024

Job Life

অফিস তো কেবল কাজ করার জায়গাই নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার একটি বড় পরিসরও। তাইতো অফিসকে বলা হয় ‘দ্বিতীয় পরিবার’। আপনার কর্মক্ষেত্রে যদি কাজ করার ইতিবাচক পরিবেশ থাকে তবে অফিস কর্তৃপক্ষ ও আপনি উভয়েই সমৃদ্ধ

image

Is your workplace really built for innovation?

24/08/2024

Job Life

Organizations that succeed are those that constantly improve themselves and their offerings. But don’t expect the few people at the top to be responsible for all the interesting new thinking in the organization.


Do you Need Any Help?