দক্ষতা যত বেশি থাকবে, চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ততই বাড়বে। চাকরি পাওয়ার পরেও বিষয়টি প্রযোজ্য। কেননা একজন মানুষের সক্ষমতা ও দ্রুত মানিয়ের নেওয়ার ওপর নির্ভর করে, সে চাকরিতে স্থায়ী হবে কিনা।
দক্ষতা শুধু থাকলেই হবে না, বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা থাকতে হবে। যেমন একজন কম্পিউটার অপারেটরের দক্ষতা থাকা চাই কম্পিউটার ব্যবহার ও এ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি সম্পর্কে। আবার কেউ যদি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হোন, তবে তাকে পারদর্শী হতে হবে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুজ সম্পর্কে।
তবে এসব ছাড়া আরও বেশ কিছু কৌশল আছে, সেসব অবলম্বন করলে চাকরি বাজারে নিজের কদর আগের চেয়ে আরও বেড়ে যাবে। এসব নিয়েই আজকের আয়োজন-
স্নাতক বা গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেই মোটা অংকের চাকরি পাওয়া যায় না। দরকার হয় ইন্টার্নশিপের। একটা সময় শুধুমাত্র ব্যবহারিক বিষয়ে স্নাতক পাস করলে ইন্টার্নশিপের প্রয়োজন ছিল। যেমন মেডিকেল বা আইন বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইন্টার্নশিপ করতে হতো। কিন্তু সময় বদলে গেছে। এখন যেকোনো বিষয় স্নাতক পাস করলেই তাকে ইন্টার্নশিপ করতে হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও শিক্ষার্থীদের এই চাহিদার কথা ভেবে কর্মী নিয়োগের মতো ইন্টার্নশিপ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে। এতে সম্মানীও প্রদান করা হয়। তবে এ জন্য দরকার বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ-খবর রাখা।
জব মার্কেট অনেকটা বেসামাল হয়ে আছে। দিনদিন শিক্ষিত বেকার বেড়েই যাচ্ছে। তার ওপর বর্তমান করোনা তাণ্ডব। তবে এর মাঝেই সবাই এগিয়ে যাবে, খুঁজে নিবে নিজের গতিপথ। প্রতিযোগিতা করেই জব মার্কেটে নিজের অবস্থান তুলে ধরবে।
একটি প্রতিষ্ঠানে নানা রকম দায়িত্বের বিভাগ থাকে। আবার সব বিভাগের দায়িত্বেই থাকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। থাকে বিভাগীয় প্রধান। জব মার্কেটে বিশেষ করে প্রাইভেট জবে প্রায়শই এমপ্লয়িদের দেখা যায় জব পরিবর্তন করতে। প্রতিটি জব পরিবর্তনে থাকে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ। সেই কারণগুলো ব্যক্তি বিশেষের জন্য মনে হতে পারে অনেক বেশি দুর্বল, আবার অনেকের জন্য যৌক্তিক।
দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সুবিধাবঞ্চিত নারী ও মেধাবী প্রতিবন্ধীদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব। এতে করে নানা গণ্ডির মধ্যে থেকেও তারা নিজেদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারবে।
বুধবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘উইম্যান্স স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস প্রোগ্রাম’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন বিআইজিডি’র গবেষকরা।
২০২২ সালে এসে যেকোনো একটা বিষয়ের ওপর দক্ষ হলে চলবে না। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য স্কিল আপনার চাকরির সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে। যুগ এখন দ্রুত পাল্টাচ্ছে। এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকতে আপনাকে অবশ্যই একাধিক স্কিল অর্জন করতে হবে। সেটা হতে পারে ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিল, ইউএক্স ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভেলপার কিংবা এইচআর ম্যানেজমেন্ট। আজ থাকছে ক্যারিয়ারে উন্নতি করার কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা।