দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর্থিক অনিয়ম বন্ধ করতে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ‘অভিন্ন আর্থিক নীতিমালা’ প্রণয়ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এটি অনুসরণ করলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে বলে মনে করছে ইউজিসি। তবে এতে বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা কমে যাবে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। তাঁরা এ নীতিমালা প্রত্যাখ্যান করে আগামী ৯ জুলাইয়ের মধ্যে বাতিল করার আলটিমেটাম দিয়েছেন। এ দাবি না মানলে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা একযোগে আন্দোলে নামবেন বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা সরকারের ‘তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী’র। আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁরা জাতীয় বেতন স্কেলের ১৫তম গ্রেড থেকে ১৩তম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত হন (১১ হাজার টাকা স্কেল)। প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা বেতন পান ১১তম ও ১২তম গ্রেডে। এই শিক্ষকদের অভিযোগ, তাঁদের পদমর্যাদা ও বেতন দুটিই কম এবং তাঁরা অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার।